1. akibmahmud2010@gmail.com : akibmahmud :
  2. galib.nyc@gmail.com : galib.nyc :
  3. t.m.a.hasib@gmail.com : t.m.a. hasib : t.m.a. hasib
  4. tahmim0007@gmail.com : newsdesk :
বিশ্বাসঘাতকতার ইতিহাস যুগে যুগে - SheraNews
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৫:৫১ অপরাহ্ন

বিশ্বাসঘাতকতার ইতিহাস যুগে যুগে

সেরা নিউজ
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২০

ভারত বিভাজনের পর ১৯৪৮ সালে আইয়ুব খান ছিলেন পূর্ব পাকিস্তানে ১৪ডিভিশনের জিওসি।১৯৪৯ সালে পাকিস্তানের প্রধান মন্ত্রী লিয়াকত আলী খান তাকে ‘ হিসাব-ই-জুরাত’(পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব)দিয়ে সেনা সদর দপ্তরে আ্যডজুট্যানট জেনারেল পদে পদায়ন করেন। ১৯৫১ সালে ইস্কেন্দার মির্জা ছিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এবং লিয়াকত আলী ছিলেন প্রধান মন্ত্রী।

পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর শেষ ব্রিটিশ কমান্ডা-ইন- চিফ জেনারেল স্যার ডগলাস গ্রেসী ১৬ই জানুয়ারী অবসারে যান।তখন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর থেকে জ্যৈস্ঠতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে কমান্ডার-ইন-চিপ নিয়োগ দেয়ার জন্য চার জনের নাম প্রস্তাব করা হয়।তারা হলেন মেজর জেনারেল আকবর খান,মেজর জেনারেল ইফতেখার খান,মেজর জেনারেল ইশফাকুল মজিদ এবং মেজর জেনারেল এন,এম,এ,রেজা।সে প্রস্তাবে আইয়ুব খানের নাম ছিল না।

সবচেয়ে সিনিয়র ছিলেন মেজর জেনারেল আকবর খান এবং দ্বিতীয় ছিলেন মেজর জেনারেল ইশফাকুল মজিদ,যারা কমিশন পেয়েছিলেন যথাক্রমে ১৯২০ ও ১৯২৪ সালে।তাদের ডিঙিয়ে সেনা প্রধান হিসাবে নিয়োগের জন্য প্রথমে জেনারেল ইফতেখার খানকে বেছে নেয়া হয়,তিনি কমিশন লাভ করেছিলেন ১৯২৯ সালে।কিন্তু ইফতেখার খান দায়ীত্ব গ্রহনের আগেই একটি প্লেন দূরঘটনায় নিহত হন।এরপর ইস্কেন্দার মির্জা জেদ ধরেন আইয়ুব খানকে ‘কমান্ডার-ইন-চিপ ‘করার জন্য।মির্জর আইয়ুব খানের প্রতি ছিল দূর্বলতা।তিনি ভাবতেন,আইয়ুব খান খুবই অনুগত একজন অফিসার ! ইস্কেন্দার মির্জার চাপে লিয়াকত আলী খান আইয়ুব খানকেই’ কমান্ডার-ইন-চিপ ‘পদে নিয়োগ দেন। ঐ বছরই ঠিক নয় মাস পরে লিয়াকত আলী আততায়ীর গুলিতে নিহত হন।

রাওয়ালপিন্ডির কোম্পানীবাগে (পরবর্তীকাল লিয়াকত বাগ নাম রাখা হয়,যেখানে বেনজির ভুট্টোকেও হত্যা করা হয়)এক লাখ লোকের সমাবেশে ভাষন দিতে ওঠেন।ঠিক সামনের সারিতে বসা ছিলেন একজন আফগান,যার নাম সাইদ আকবর।এই সাইদ আকবরকে আফগান থেকে বের করে দেয়া হয় এবং তাকে ব্রিটিশ সরকার এবং পাকিস্তান সরকার রিফিউজি হিসাবে ভাতা প্রদান করত। সামনের সারিতে যে জায়গাটিতে আকবরকে বসানো হয়েছিল সেখানে সিআইডির কর্মকর্তা ছাড়া আর কারো বসার অধিকার ছিল না। আকবর একটি বুলেট খরচ করে লিয়াকত আলীকে হত্যা করার সঙ্গে সঙ্গে কর্তব্যরত পুলিশ তাকে পাল্টা গুলি করে হত্যা করে। সুতরাং লিয়াকত আলীর প্রকৃত ঘাতক কে তা আর জানা গেল না।

১৯৫৬ সালে ইস্কান্দার মির্জ পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হন।পাকিস্তানের রাজনৈতিক অস্হিরতার মধ্যে আইয়ুব খানের প্ররোচনায় মির্জা ১৯৫৮ সালে মার্শাল ল’ জারি করেন এবং ৮ই অক্টোবর আইয়ুব খানকে সশস্র বাহিনীর সুপ্রিম কমান্ডার এবং চিফ মার্শাল ল’ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ঘোষনা করেন।ওই মাসেই ইস্কান্দর মির্জাকে সেনাবাহিনীর একটি ইউনিট পাঠিয়ে জোরপূর্বক প্লেনে লন্ডন পাঠিয়ে দেন আইয়ুব খান।

বাংলার ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান ,সেনাপতি মীর জাফর আলী খাঁর বংশধর ভীষন অর্থকষ্টে লন্ডনে বসবাস করতে থাকেন। সেখানে ছোট একটি পাকিস্তানী খাবারের রেস্টুরেন্ট চালু করেন।কিন্তু অর্থকষ্ট যায় না।তখন তাকে আর্থিক সাহায্য করতে থাকেন লন্ডনে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আরশেদ জায়েদি,ইরানের শাহ এবং লন্ডনের ধনাঢ্য রাজনৈতিক জেমস উইলিয়াম মেকে। মির্জা তার স্ত্রীকে আক্ষেপ করে বলছিলেন,” নাহিদ ,আমরা চিকিৎসা খরচ এখন চালাতে পারব না।সুতরাং আমাকে সহসাই মরতে দিও।” মৃত্যুর আগে তিনি অতীতের বহু সিদ্ধান্তের জন্য আক্ষেপ করতেন।

যা হোক,১৯৬৯ সালে ইস্কান্দর মির্জ লন্ডনে মৃত্যু বরন করলে ইয়াহিয়া খান তার লাশ পাকিস্তানে আনতে দেন নি।তাকে ইরানে সমাহিত করা হয়।এমন কি পাকিস্তান থেকে তার আত্মীয় স্বজনকেও দাফন অনুস্ঠানে যেতেও দেয়া হয় নাই।দেশ ভাগের পর ইস্কেন্দার মির্জ তার সম্পত্তি ঢাকায় স্হানান্তর করেছিলেন।পাকিস্হন সরকার সে সম্পত্তি জব্দ করেছিল।এভাবেই মিজা ‘বিশেষ প্রীতির’ প্রতিদান পেয়েছিলেন।
১৯৭৫ সালে পাকিস্তানের মুলতান দ্বিতীয় স্ট্রাইক ক্রপস্ এর কমান্ডার থাকা কালে জিয়াউল হক প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টকে আমন্ত্রণ জানান স্টেশন পরিদর্শনের।ভুট্ট সেখানে গেলে জিয়াউল হক তাকে জমকালো আপ্যায়ন করেন এবং ভুট্টর প্রতি আনুগত্যের বহি:প্রকাশ ঘটান তার জুতা নিজে পালিশ করে দিয়ে।ভুট্ট রাজধানীতে ফিরেই জিয়াউল হককে লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে পদোন্নতি দেন। টিক্কা খান অবসরে গেলে এই ‘এতো অনুগত ‘ মানুষটিকে ১৯৭৬ সালে ভুট্ট সাত জন সিনিয়র জেনারেলকে অতিক্রম করে চিফ অব আর্মি স্টাফ পদে নিয়োগ দেন। পাকিস্তানের রাজনৈতিক অস্থিরতায় ১৯৭৭ সালের এপ্রিল মাসে ভুট্ট করাচি,লাহোর,হায়দারাবাদের মতো শহরগুলোতে মার্শাল ল’ জারি করেন।

এবার চুরান্ত সুযোগ আসে জিয়াউল হকের ! জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহই জিয়া একদল মিলিটারী পুলিশ পাঠিয়ে ভুট্টো ও তার কয় একজন মন্ত্রীকে গ্রেফতার করেন।তখনও ভুট্টোর মত চতুর লোক বুঝতে পারেনি যে,জিয়াউল হক কি জিনিস।তিনি টেলিফোন করেন জিয়াউল হককে।কিন্তু হায়, টেলিফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন ! অবশেষে ১৯৭৪ সালে কালাবাগের নবাবের হত্যার আসামী হিসাবে বিচারের পর ১৯৭৯ সালের ৪ এপ্রিল রাওয়ালপিন্ডির কেন্দীয় কারাগারে সেই ভুট্টোকে ফাঁসি কাস্টে ঝোলান , যার পায়ের জুতা মাত্র চার বছর আগে নিজে পরিস্কার করে দিয়েছিলেন।

বিশ্বের বহু নেতা ভুট্টোর প্রানভিক্ষা চেয়েছিলেন কিন্তু জিয়াউল হক কারো কথায় কান দেন নি।কর্নেল রফিউদ্দিন ছিলেন রাওয়ালপিন্ডির কারাগারের দায়ীত্বে।তিনি একটি বই লিখেছিলেন, ‘ ভুট্টোর শেষ ৩২৩ দিন ‘ নামে।তিনি উল্লেখ করেছেন, জিয়াউল হক ভুট্টোকে মনে মনে এতটাই ঘৃনা করতেন যে,ভুট্টোর ফাঁসির পর কারাগারে ফটোগ্রাফার পাঠিয়ে তার উলঙ্গ ছবি তুলিয়েছিল্ন। জিয়া ধারনা করতেন ভুট্টো একজন হিন্দু এবং তার খাতনা করানো হয় নি।কারন ভুট্টোর মা খুরশিদ বেগম( লাখি বাই) ছিলেন ধর্মান্তরিত মুসলমান।
১৯৮৮ সালের ১৭ই আগস্ট বাহওয়ালপুরের নিকটে এক প্লেন দূর্ঘটনায় সহযাত্রী সহ জিয়াউল হক মারা যান।
বাহওয়ালপুরে এক সামরিক মহড়া পরিদর্শন শেষে রাজধানী ইসলামাবাদের উদ্দেশ্যে একটি C-130B Harcules বিমানে করে ফিরছিলেন।উড্ডয়নের অল্প কিছুক্ষনের মধ্যেই বিমানটি বিধ্বস্ত হয়ে সহযাত্রী পাকিস্তানের মার্কিন রাস্ট্রদুত আরনল্ড লুইস রাফেল,পাকিস্হানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিলিটারী এইড মিশন প্রধান জেনারেল হারবাড্ এম,ওয়াসম,পাকিস্তানের জয়েন্ট চিফ অফ্ স্টাফ কমিটির প্রধান জেনারেল আক্তার আবদুর রহমান সহ ৩১ জন সামরিক বেসামরিক উচ্চ পদস্হ অফিসার নিহত হন।উক্ত বিমান দূর্ঘটনার কারন অদ্যাবধি রহস্যাবৃতই রয়ে গেছে।

১৯৯৮ সালেও পাকিস্তানে একই রকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়েছিল।চিফ অব আর্রমি স্টাফ জেনারেল কারামতের সঙ্গে প্রধান মন্ত্রীর নাওয়াজ শরীফের মতানৈক্য দেখা দিলে তিনি কারামতকে ডিসমিস করেন।এরপর নেওয়াজ শরিফ পান্জাবের রাজনীতিবিদ নিসার আলী এবং এবং ছোট ভাই শাহবাজ শরীফের পরামর্শে তিন জন সিনিয়রকে উপেক্ষা করে সৈয়দ পারভেজ মোশারফ্ কে চার তারকা জেনারেলে উন্নীত করে কারামতের স্হালাভিষিক্ত করেন।পরে নেওয়াজ শরিফকে হটিয়ে পারভেজ মোশারফ্ পাকিস্তানের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হন।বহু কস্টে নেওয়াজ শরিফকে ফাঁসির হাত থেকে রক্ষা করেন সৌদি আরবের বাদশা ফাহাদ এবং তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিন ক্লিনটন।মোশারফ্ তার গ্রন্থ ‘ ইন দা লাইন অব ফায়ার’ এ লিখেছেন , ‘ বাদশা ফাহাদ হস্হক্ষেপ না করলে নেওয়াজকে ফাঁসিতে ঝুলতে হত।’
একটু দূরের অতীতে যাই।শুভাকাঙ্খী চিনতে না পারায়,তাদের পরমর্শকে গুরত্ব না দেয়ার এবং অপাত্রে বিশ্বাস স্হাপনের এক লোমহষক কাহিনী বলি।মালিক জালালউদ্দিন ফিরোজ খালজি ছিলেন ভারতবর্ষের শক্তিশালী সুলতান (১২৯০-১২৯৬ খ্রী:)।তার সময় দূর্ধষ্য মোঙ্গল বাহিনী আক্রমন করলে তিনি তাদের বাধ্য করেছিলেন সন্ধি করতে এবং তার উদারতায় মুগ্ধ হয়ে বহু মোঙ্গল সেনা ইসলামে দিক্ষা নিয়ে ভারতে থেকে যান।এই জালালউদ্দিনকে তার বিশ্বস্ততা ও ভালবাসার মূল্য দিতে হয়েছিল তার নিজে জীবন দিয়ে।
জালালউদ্দিন তার ভাতিজা আলাউদ্দিন খালজিকে নিজের সন্তানতুল্য ভালবেসে , লালন পালন করে মানুষ করেছিলেন।বয়:প্রাপ্ত হলে তিনি তার আদরের ভাতিজাকে কারার(বর্তমান উত্তর প্রদেশ)এর শাসনকর্তা করে পাঠান।আলাউদ্দিন সেখানে বসে দিল্লীর মসনদ দখলের যড়যন্ত্রে লিপ্ত হন।তিনি জানতেন দিল্লী দখল করতে হলে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন।তাই অর্থ যোগার করতে তিনি দেবগিরিতে ঝটিকা আক্রমন করেন এবং রাজা রামচন্দ্রের বিশাল রত্ন ভান্ডার লুট করে নিয়ে কারার-এ(বর্তমান উত্তর প্রদেশ)ফিরে যান।এটা ১২৯৬ খ্রী: এর ঘটনা।জালালউদ্দিনের সভার কয়একজন বিষয়টি যানতেন এবং সুলতানকে সতর্ক করেন।সুলতান উল্টো তাদের তিরস্কার করেন।এরমধ্যে একটি চিঠি পাঠিয়ে আলাউদ্দি বিনা অনুমতিতে দেবগিরি আক্রমণের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং লুন্ঠিত সর রত্ন সুলতানের কোষাগারে জমা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।এদিকে সুলতানের ভাই আলমাস বেগ সুলতানকে জানান ,’সুলতান রাগ করেছেন জেনে আলাউদ্দিন সবকিছু ছেড়ে হয় বাংলার দিকে চলে যাবেন অথবা আত্মহত্যা করবেন বলে সিধ্বান্ত নিয়েছেন।’ জালালউদ্দিন এ কথা শুনে সন্তানসম আলাউদ্দিনকে বোঝাতে একটি ছোট সেনা দল নিয়ে উত্তর প্রদেশের রওনা দেন এবং গঙ্গা নদীর কূলে পৌছান।গঙ্গার এপ্রান্ত থেকে দেখা যায় আলাউদ্দিনের বাহিনী সমর সজ্জায় প্রস্তুত হয়ে আছে।জালালউদ্দিনের পরামর্শকরা তাকে কোন ক্রমেই গঙ্গা পার না হতে অনুরোধ করেন।কিন্তু আসলাম বেগ বলেন,”যুদ্ধ সজ্জ নয়,আপনাকে অভ্যর্থনা জানাতে ওরা প্রস্তুত হয়ে আছে।” পরমরশকদের সাবধানতা উপেক্ষা করে জালালউদ্দিন কয়একজন সেনা সঙ্গে নিয়ে গঙ্গা পার হন।আলাউদ্দিন কাছে এসে তাকে পায় হাত দিয়ে সালাম করেন।জালালউদদ্দিন তাকে বুকে টেনে নিয়ে কপালে,গালে চুম খেতে থাকেন।বলেন, “ওরা কি বলে,তোমাকে আমি শিশুকাল থেকে সন্তানের আদর দিয়ে বড় করেছি না ? আমার সন্তান কি আমার সাথে বেঈমানী করতে পারে !” এরপর আবার তিনি আলাউদ্দিনের মাথায়, মুখে চুমু খেতে থাকেন।ঠিক তখনই আলাউদ্দিন একজন সেনাকে ইশারা দেন।সেনাটি দ্রুত এসে বৃদ্ধ সুলতানকে আঘাত করে।সুলতান মাটিতে পরে গিয়ে বললেন, “ তুমি এ কি করলে বাবা !”এরপর দ্বিতীয় আঘাতে মাথা দেহ থেকে আলাদা করে ফেলে।তার মুকুট আলাউদ্দিনের মাথায় পরানো হয়।তখনও সুলতান জালালউদ্দিনের বিচ্ছিন্ন মাথা থেকে রক্ত গড়িয়ে পড়ছিল।মাথাটি বশার আগায় বিদ্ধ করে সমস্ত এলাকা ঘুরিয়ে জানিয়ে দেয়া হয়, এখন থেকে সুলতান হবেন আলাউদ্দিন খালজি।
ইতিহাসে এরূপ নিস্ঠুর হত্যাকাণ্ডের দৃস্টান্ত বিরল।দিল্লী ফিরে আলাউদ্দিন খালজি নিজেকে সুলতান ঘোষনা করেন এবং ১২৯৬ খ্রী: থেকে ১৩১৬ খ্রী: পর্যন্ত দোদন্ড প্রতাপে ভারত শাসন করেন।

লেখক: এস এম সিদ্দিকুর রহমান
সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা,
প্রকাশক সেরা নিউজ,
নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র

Please Share This Post in Your Social Media

এই ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ
© All rights reserved by Shera News
Developed BY: Transfotech